শেষের পথে এসে পৌঁছেছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ মহোৎসব। ফ্রান্সের স্বপ্ন ভেঙে ইতিমধ্যে ফাইনালে পা রেখেছে স্পেন।
তবে ফরাসিদের বিশ্বকাপ মিশন ট্র্যাজেডিতে শেষ হলেও দলটির অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পের সামনে এখনো সুযোগ থাকছে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ গৌরব ‘গোল্ডেন বুট’ নিজের করে নেওয়ার। আগামী তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মাঠে নামবে ফ্রান্স। আর এই ম্যাচটিই এমবাপ্পেকে লিওনেল মেসির সঙ্গে গোল্ডেন বুটের দ্বৈরথে একধাপ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে।
বর্তমানে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় ৮টি করে গোল নিয়ে যৌথভাবে শীর্ষে আছেন মেসি ও এমবাপ্পে।
কিন্তু প্রশ্ন হলো—টুর্নামেন্ট শেষে যদি মেসি ও এমবাপ্পে উভয়ের গোলসংখ্যা সমান থাকে, তবে গোল্ডেন বুট কার হাতে উঠবে? ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, এই পুরস্কার যৌথভাবে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
বিজয়ী নির্ধারণে ব্যবহার করা হবে সূক্ষ্ম কিছু টাইব্রেকার মানদণ্ডে।
গোল সমান হলে সবার আগে দেখা হবে অ্যাসিস্ট বা গোল করানোর সংখ্যা। এই জায়গায় বর্তমানে মেসির চেয়ে এগিয়ে আছেন মেসি। ফরাসি তারকার অ্যাসিস্ট ৩টি, অন্যদিকে মেসির অ্যাসিস্ট ৪টি। ফলে গোলসংখ্যা অপরিবর্তিত থাকলে বাজিমাত করবেন মেসি।
অ্যাসিস্টের সংখ্যাও যদি সমান হয়ে যায়, তবে দেখা হবে কে কত কম সময় মাঠে খেলেছেন। যিনি তুলনামূলক কম মিনিট খেলে সমান গোল ও অ্যাসিস্ট করেছেন, তিনিই পাবেন গোল্ডেন বুট।
সবকিছুতেই টাই হলে শেষ পর্যন্ত দেখা হবে পেনাল্টি ছাড়া মাঠের স্বাভাবিক খেলা (ওপেন প্লে) থেকে কার গোল বেশি। এই মানদণ্ডেও সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন লিওনেল মেসি। চলতি বিশ্বকাপে মেসি দুটি পেনাল্টি পেলেও অস্ট্রিয়া ও মিসরের গোলরক্ষকের নৈপুণ্যে তা জালে জড়াতে পারেননি। অর্থাৎ, তার ৮টি গোলের সবকটিই এসেছে ওপেন প্লে থেকে। বিপরীতে, এমবাপ্পে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে একটি গোল করেছেন। ফলে এই মানদণ্ড পর্যন্ত হিসাব গড়ালে ট্রফি যাবে মেসির শোকেসে।
এফপি/ফ