Dhaka, Tuesday | 7 July 2026
         
English Edition
   
Epaper | Tuesday | 7 July 2026 | English
১৬ জেলায় বন্যার আভাস
সরকারি হাসপাতালে ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু পরীক্ষা ফ্রি
বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
শিরোনাম:

চট্টগ্রামে ৪২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টি, তলিয়েছে বহু এলাকা

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪০ পিএম  (ভিজিটর : ২৭)

চট্টগ্রাম নগরীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টি ঝরার তথ্য দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর, যা ৪২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

এর আগে ১৯৮৩ সালের ৪ অগাস্ট ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।

সে হিসাবে, সোমবার বিকাল ৩টা থেকে ২৪ ঘণ্টায় ৪২ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি দেখল বন্দরনগরী।

প্রবল এই বর্ষণের মধ্যে জোয়ারের কারণে নগরীর আরো কিছু এলাকা তলিয়ে গেছে। পানি উঠেছে অন্তত তিনটি সড়কে। রেলপথ ডুবে আটকা পড়ে পর্যটক এক্সপ্রেসও।

নগরীর পোর্ট কানেকটিং সড়কের হালিশহর আবাসিক থেকে নয়া বাজার পর্যন্ত অংশ, অক্সিজেন-হাটহাজারী সড়কের বড় দিঘির পাড় অংশ এবং আরাকান সড়কের সিঅ্যান্ডবি ও মৌলভী পুকুর পাড় এলাকার সড়ক তলিয়ে গেছে।

এছাড়া কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকা, আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, সিডিএ আবাসিক এলাকা, পাঁচলাইশ, কাপাসগোলা, চকবাজার, রামপুর, তিন পোলের মাথা, বাটালি রোড, কাস্টম হাউজ, জামালখান বাই লেইন, রহমতগঞ্জ, হালিশহর আবাসিক এলাকা, আগ্রাবাদ বেপারীপাড়া কাঁচা বাজার, মৌলভীপাড়া এলাকা ও কাঠগড় মুসলিমাবাদ এলাকায় জলাবদ্ধতার খবর পাওয়া গেছে।

নগরীর বেশির ভাগ খালের পানি উপচে সড়কে পানি চলে আসে। খালগুলোতে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের অধীনে নির্মিত স্লুইস গেটগুলো দুপুরে খুলে দেওয়া হয়।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ সুমন সাহা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আজ বিকাল ৩টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে চট্টগ্রামে ১৯৮৩ সালের ৪ অগাস্ট ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। সে হিসাবে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।”

এর আগে রোববার সকাল থেকে বন্দরনগরীতে বৃষ্টি শুরু হয়। সেদিন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৪০ মিলিমিটার। সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয় ২০৬ মিলিমিটার।

মঙ্গলবার সকাল থেকে অতি ভারি বৃষ্টির সঙ্গে যোগ হয় জোয়ার। তখন নগরীর কয়েকটি এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে জোয়ার শুরু হয়। এতে ভারি বৃষ্টিতে নগরীতে জমা পানি খাল বেয়ে আর নদী ও সাগরে যেতে পারেনি।

এরপর একে একে নগরীর আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকা, চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি বাড়তে থাকে। কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকার বেশ কিছু বাসাবাড়ির নিচতলায় পানি ঢুকে যায়

হাটহাজারী-অক্সিজেন রোডের ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলি ওয়ার্ডের বড় দিঘির পাড় এলাকায় কোমর সমান পানি জমে যায়। সেখান মূল সড়কে জমা পানিতে স্থানীয়রা জাল মেরে মাছ ধরতে দেখা গেছে।

এছাড়া নগরীর কাস্টম হাউজ প্রাঙ্গন, জামালখান বাই লেইন, রহমতগঞ্জ, হালিশহর আবাসিক এলাকা, আগ্রাবাদ বেপারীপাড়া কাঁচা বাজার ও মৌলভী পাড়া এলাকা, কাঠগড় মুসলিমাবাদ এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।

শহরের আরাকান সড়কের সিঅ্যান্ডবি ও মৌলভী পুকুর পাড় এলাকায় মূল সড়কে পানি ঠেলে বড় ও মাঝারি বিভিন্ন ধরণের যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে।

পোর্ট কানেক্টিং রোডের হালিশহর আবাসিক থেকে নয়া বাজার পর্যন্ত অংশে ভারি যানবাহন পানির ভিতর চলাচল করছিল।

এছাড়া অতি ভারি বৃষ্টিতে নগরীর পতেঙ্গা এলাকায় একটি বাইপাস সড়কের একাংশ ভেঙে পড়ে। আর দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ষোলশহর এলাকায় রেলাইনে জমে থাকা পানিতে আটকা পড়ে প্রায় সাড়ে ছয়শ যাত্রী নিয়ে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন।

বেলা তিনটার পরও বন্দর নগরীর আকাশ ছিল মেঘলা। বেলা সাড়ে তিনটায় আবারো মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়।

এফপি/র
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝