মঙ্গলবার (২৬ মে) ভোর থেকেই যমুনা সেতু থেকে মহাসড়কের পুংলি পর্যন্ত এ যানবাহনের ধীর গতির সৃষ্টি হয়।
এদিকে এ ঘটনায় ভোগান্তিতে পড়েছে ঈদে ঘরমুখো মানুষ। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের খুব কষ্ট হচ্ছে। তবে যানজট নিরসনে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে ৷
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘ঝড়-বৃষ্টির কারণে গাড়ির দীর্ঘ সারি ছিল ৷ এর মধ্যে যমুনা সেতুতে একাধিক গাড়ি বিকল ও সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে৷ ফলে মহাসড়কে আরো ধীরগতির তৈরি হয়েছে।
সোমবার রাত ১২টা থেকে এ পর্যন্ত সেতুতে ১১টি গাড়ি বিকলের ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার সকালে কিছুক্ষণ আগে আবার সেতুতে উত্তরবঙ্গগামী লেনে এক সাথে চারটি গাড়ির দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনার কবলিত গাড়িগুলো রেকারের মাধ্যমে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এরফলেও মহাসড়কে ধীরগতির সৃষ্টি হয়।’
এ ব্যাপারে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো: শরীর বলেন, ‘সেতুতে গাড়ি বিকল ও দুর্ঘটনার ফলে পুংলী পর্যন্ত মহাসড়কের যানবাহনের ধীর গতিতে চলছে। মহাসড়কে যানজট নিরসনে পুলিশ সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করছে৷’