Dhaka, Sunday | 17 May 2026
         
English Edition
   
Epaper | Sunday | 17 May 2026 | English
সৌদিতে পৌঁছেছেন প্রায় ৬০ হাজার বাংলাদেশি হজযাত্রী
রাজধানীতে ভোর থেকেই মুষলধারে বৃষ্টি
ট্রেনে ঈদযাত্রার শেষ দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি আজ
হাম ও উপসর্গ নিয়ে দুই মাসে মৃত্যু ৪৫৩
শিরোনাম:

কঙ্গোতে ফের ইবোলার থাবা, মৃত্যু ৮০

প্রকাশ: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ১২:১৫ পিএম  (ভিজিটর : ২২)

আফ্রিকার শীর্ষ স্বাস্থ্য সংস্থা আফ্রিকা সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (আফ্রিকা সিডিসি) কঙ্গোর গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের (ডিআর কঙ্গো) পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশে ইবোলার প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করেছে। আফ্রিকা সিডিসি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত প্রায় ২৪৬টি সংক্রমণের ঘটনা এবং ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তদের বেশিরভাগই স্বর্ণখনি অধ্যুষিত মঙ্গওয়ালু ও রওয়াম্পারা শহরের বাসিন্দা।

উগান্ডার কর্মকর্তারা শুক্রবার ডিআর কঙ্গো থেকে আসা একজন ইবোলা আক্রান্ত রোগীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৫৯ বছর বয়সী এক ব্যক্তি বৃহস্পতিবার মারা যান এবং পরীক্ষায় তার শরীরে ইবোলা ভাইরাস শনাক্ত হয়।

ইবোলা প্রথম শনাক্ত হয় ১৯৭৬ সালে বর্তমান ডিআর কঙ্গো অঞ্চলে। ধারণা করা হয়, বাদুড় থেকে এই ভাইরাস মানুষের মধ্যে ছড়ায়। এটি দেশটিতে ইবোলার ১৭তম প্রাদুর্ভাব। শরীরের তরল পদার্থের সরাসরি সংস্পর্শ এবং ক্ষতস্থানের মাধ্যমে ভাইরাসটি ছড়ায়। এতে তীব্র রক্তক্ষরণ ও অঙ্গ বিকল হওয়ার মতো জটিলতা দেখা দেয়।

প্রাথমিক উপসর্গের মধ্যে রয়েছে জ্বর, পেশিতে ব্যথা, ক্লান্তি, মাথাব্যথা ও গলাব্যথা। পরে বমি, ডায়রিয়া, চামড়ায় র‍্যাশ ও রক্তক্ষরণ শুরু হয়। ইবোলার এখনো কোনো নিশ্চিত চিকিৎসা নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, এ রোগে গড়ে মৃত্যুহার প্রায় ৫০ শতাংশ।

আফ্রিকা সিডিসি জানিয়েছে, ৮০ জন মৃতের মধ্যে চারজনের সংক্রমণ পরীক্ষাগারে নিশ্চিত করা হয়েছিল। ইতুরির প্রাদেশিক রাজধানী বুনিয়াতেও অতিরিক্ত সন্দেহভাজন সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। তবে সেগুলোর পরীক্ষাগার নিশ্চিতকরণ এখনো বাকি। আফ্রিকা সিডিসি সতর্ক করেছে যে রওয়াম্পারা ও বুনিয়ার মতো শহুরে এলাকা এবং মঙ্গওয়ালুর খনিশিল্পের কারণে সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

কঙ্গো সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করেনি। আফ্রিকা সিডিসি জানিয়েছে, তারা ডিআর কঙ্গো, উগান্ডা, দক্ষিণ সুদান ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করছে। সেখানে প্রতিরোধ কার্যক্রম ও সীমান্ত নজরদারির বিষয়ে আলোচনা হবে।

গত ৫০ বছরে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ইবোলা ভাইরাসে প্রায় ১৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ডিআর কঙ্গোর সবচেয়ে ভয়াবহ ইবোলা প্রাদুর্ভাব ছিল ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে, যখন প্রায় ২ হাজার ৩০০ মানুষ মারা যায়। গত বছর দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় কাসাই প্রদেশের বুলাপে অঞ্চলে আরেকটি প্রাদুর্ভাবে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

এফপি/অ
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝