ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) ১১টায় সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ কর্তৃক আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, চলতি মাসটি বজ্রপাতের জন্য হুমকি স্বরুপ। আমরা একটু সচেতন হলে বজ্রপাতের আঘাত, ক্ষয়ক্ষতি ও মৃত্যু থেকে রক্ষা পেতে পারি।
বাঞ্ছারামপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আমান উল্লাহ'র সভাপতিত্বে “বজ্রপাতের ঝুঁকি নিরসন জনসচেতনতা বৃদ্ধি কার্যক্রম গ্রহন বিষয়ক” বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাঞ্ছারামপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ষ্টেশনের ইনচার্জ ও সাব অফিসার আবু জাফর তালুকদার। বক্তব্য রাখেন, চীফ ইন্সট্রাকটর খন্দকার শাহাবুদ্দিন আহমদ, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, ইন্সট্রাক্টর মোহাম্মদ মোনায়েম, স্বপন ভূইয়া প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবছর বজ্রপাতে শত শত মানুষ মারা যায়। বিশেষ করে বর্ষার আগমনী মৌসুমে বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ ও আষাঢ় মাসে বজ্রপাতের সংখ্যা বেড়ে যায়। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতের তীব্রতা ও বিস্তার বাড়ছে। বজ্রপাতে মারা যাওয়া মানুষের একটি বড় অংশ গ্রামীণ কৃষক ও শ্রমজীবী, যারা মাঠে কাজ করতে গিয়ে বা খোলা জায়গায় অবস্থান করে প্রাণ হারান। অথচ সামান্য সচেতনতাই পারে এসব প্রাণঘাতী ঘটনা রোধ করতে।
অধ্যক্ষ আমান উল্লাহ বলেন, বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, উঁচু গাছের নিচে, ধাতব বস্তু বা বৈদ্যুতিক খুঁটির কাছে অবস্থান করা ঝুঁকিপূর্ণ। বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া এবং বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখা উচিত। অনেকেই বজ্রপাতের সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন, যেটি ক্ষতির কারণ হতে পারে। তা ছাড়া, গবাদিপশু বা জমির জন্য উদ্বিগ্ন হয়ে অনেক কৃষক মাঠে অবস্থান করেন, যা তাদের মৃত্যুঝুঁকি বাড়ায়। অনুষ্ঠানে প্রচুর শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলো।
এফপি/জেএস