বিয়ের মাত্র তিন মাস যেতে না যেতেই শ্বশুরবাড়িতে মানসিক চাপে পড়ে নববধূ সোহাগী আক্তারের (১৮) আত্মহত্যার ঘটনায় নালিতাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এই মামলায় সোহাগীর স্বামী হাফিজুল ইসলামকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নালিতাবাড়ী উপজেলার খড়খড়িয়াকান্দা গ্রামের সুন্দর আলীর মেয়ে সোহাগী আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন মাস আগে পার্শ্ববর্তী ছালুয়াতলা গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে হাফিজুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই 'এক পরিবারে খাওয়া-দাওয়া' নিয়ে শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে সোহাগীর বিবাদ শুরু হয়। একপর্যায়ে নবদম্পতি ও শ্বশুর-শাশুড়ি আলাদা হয়ে যান।
পারিবারিক কলহের জেরে গত ১২ এপ্রিল রবিবার বিকেল পাঁচটার দিকে নিজ ঘরে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেন সোহাগী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ঢাকায় অবস্থানরত সোহাগীর পিতা সুন্দর আলী খবর পেয়ে বাড়িতে ফেরেন এবং গত ১৫ এপ্রিল বুধবার নালিতাবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, সোহাগীকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে। এজাহারে স্বামী হাফিজুল ইসলাম ও শাশুড়ি মজিদা বেগমসহ মোট ৪ জনকে আসামি করা হয়।
গত ২০ এপ্রিল সোমবার মামলার আসামিরা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন। স্বামী হাফিজুল ইসলামের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। শাশুড়িসহ মামলার অন্য আসামিদের জামিন মঞ্জুর করেন।
এফপি/অ