আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ধাপে ধাপে নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের সরকারি ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি ও বিদ্যুৎ প্রকৌশলী সমিতি (BWPEA)। একই সঙ্গে এ উদ্যোগের জন্য সরকারপ্রধান, অর্থমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সমিতি জানায়, ১১ জুন জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়ন, পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি এবং কর্মোদ্যম সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও মূল্যস্ফীতির চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে সরকারের এ সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী এবং জনকল্যাণমুখী। এর ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
BWPEA উল্লেখ করে, দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার, জিরো-কার্বন লক্ষ্য অর্জন, স্মার্ট গ্রিড ও টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের (4IR) চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং দক্ষ পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় প্রকৌশলীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রকৌশলীদের দায়িত্ব, কারিগরি দক্ষতা ও জাতীয় উন্নয়নে অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত হবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশের পানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসহ কৌশলগত খাতগুলোর টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনে সরকারের উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশ পানি ও বিদ্যুৎ প্রকৌশলী সমিতি ভবিষ্যতেও পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাবে।
এফপি/এমআই