ভারতের কিশোর ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশী অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলেছেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি করেন ১৭৫ রান। বল খেলেন মাত্র ৮০টি।
মাত্র ১৪ বছর বয়সে তিনি খেলছেন বিশ্বকাপে, সেই তিনিই বিশ্বকাপ ফাইনালে খেললেন এই ইনিংস। তিনি মারেন ১৫টি ছক্কা ও ১৫টি চার। তার স্ট্রাইক রেট ছিল ২১৮.৭৫।
ইনিংসের শুরুতে বৈভব ২৪ বলে করেন ২৪ রান। এরপরের ১৫১ রান আসে মাত্র ৫৬ বলে। তিনি ক্রিজে ছিলেন ১২৬ মিনিট।
২৬তম ওভারে তার ইনিংস থামে। ইংল্যান্ডের পেসার ম্যানি লামসডেন তাকে আউট করেন। গতি কমানো বলে স্লগ সুইপ খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন। ক্যাচ ধরেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক ও উইকেটকিপার থমাস রিউ।
আউট হয়ে মাঠ ছাড়ার সময় ইংল্যান্ডের কয়েকজন খেলোয়াড় তার সঙ্গে হাত মেলান। তারা তার ইনিংসের প্রশংসা করেন।
বৈভব আউট হওয়ার সময় ভারতের স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ২৫১ রান। পরে ভারত ৫০ ওভারে তোলে ৯ উইকেটে ৪১১ রান। এটি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ইতিহাসের পঞ্চম সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। ফাইনালে এটি নতুন রেকর্ড। আগের রেকর্ড ছিল ২০২৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার করা ২৫৩ রান।
এই ইনিংস দিয়ে টুর্নামেন্টে বৈভবের মোট রান দাঁড়ায় ৪৩৯। তিনি খেলেন সাতটি ইনিংস। তার গড় ৬২.৭১। তিনি আফগানিস্তানের ফয়সাল খানের চেয়ে চার রান বেশি করে শীর্ষ রান সংগ্রাহক হন।
এটি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর। ২০১২ সালে উন্মুক্ত চাঁদের করা ১১১ রানকে তিনি ছাড়িয়ে যান। যুব ওয়ানডে ইতিহাসে এটি নবম সর্বোচ্চ ইনিংস। এখন পর্যন্ত শুধু একবার ডাবল সেঞ্চুরি হয়েছে।
এই ইনিংসে তিনি যুব ওয়ানডেতে এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ছক্কার রেকর্ড গড়েন। ছক্কা সংখ্যা ১৫। এর আগে তার নিজেরই রেকর্ড ছিল ১৪টি। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে এত ছক্কা আর কেউ মারেনি।
তিনি ৫৫ বলে সেঞ্চুরি করেন। এটি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরি। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার উইল মালাচুক ৫১ বলে সেঞ্চুরি করেন।
এফপি/জেএস