Dhaka, Sunday | 19 April 2026
         
English Edition
   
Epaper | Sunday | 19 April 2026 | English
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন: মমতার ক্ষমতা এবার কি টিকবে
৩০ লাখ শিশু স্বাস্থ্যঝুঁকিতে, নির্মূল রোগও ফেরার শঙ্কা
বিজ্ঞপ্তি জারি–‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ বাতিল
আরো ১৭১ ক্রীড়াবিদ পাচ্ছেন ক্রীড়া ভাতা
শিরোনাম:

নীলফামারী-১ জোট থেকেও নেই

প্রকাশ: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম  (ভিজিটর : ২৫৪)

নীলফামারী-১ আসন অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আসন। এই আসনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভাগ্নে ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিনকে জেতাতে দীর্ঘদিন থেকে কাজ করে আসছিলেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা।

সেই ভাবেই দলকে গোছানো সহ এলাকার উন্নযনে ভুমিকা রাখেন তুহিন। তবে হঠাৎ করেই এখানে তুহিনকে বাদ দিয়ে শরীক দল জমিয়তকে আসনটি ছেড়ে দেয় বিএনপি। এখানে বিএনপি জোটের মনোনয়ন পান জমিয়তের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী। আফেন্দী মনোনয়ন পেলে বিএনপি নেতাকর্মীরা আন্দোলন করেন মনোনয়ন পরিবর্তন করে তুহিনকে দেওয়ার জন্য। কিন্তু কেন্দ্র থেকে জমিয়তকেই আসনটি ছেড়ে দেওয়া হয়।

জমিয়ত প্রার্থী মনোনযন দাখিলসহ প্রচারনা চালালেও সেখানে বিএনপির কোন নেতা-কর্মীদের দেখা যাচ্ছেনা। ফলে অনেকটাই একা হয়ে পরেছেন তিনি। ক্লিন ইমেজের অধিকারী জমিয়ত মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী। তবে দলের দিক দিয়ে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী নয় জমিয়ত। যদি বিএনপি তার সাথে প্রচারনা বা বিএনপির সমর্থকরা যদি তাকে ভোট না দেয় তাহলে অনেকটাই বেকায়দায় পড়ে যাবেন তিনি। বিএনপির ভোট ছাড়া তিনি কোনভাবেই এখানে নির্বাচিত হতে পারবেননা বলে সাধারন ভোটাররা জানিয়েছেন।

উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক শফিকুল ইসলাম বলেন, জোট থেকে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে সেখানে আমাদের কিছু বলার নেই। তবে তিনি এখন পর্যন্ত আমাদের সাথে কথা বলেননি। তিনি যদি আমাদের না ডাকেন তাহলে আমরা কিভাবে তারজন্য কাজ করবো। বিএনপি নেতা কাছু বলেন, জমিয়ত এখানে মনোনয়ন পেলেও তারা আমাদের ডাকেনি। আমরা কি বেহায়া যে আমাদের না ডাকলেও আমরা যাবো।

সোনারায় ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন বলেন, তিনি আমাদের এলাকায় আসলেও বিএনপি নেতা বা কর্মীদের ডাকছেন না। না ডাকলে আমরা কিভাবে তার পক্ষে কাজ করবো। বিএনপি নেতা কামু বলেন, বিএনপি এখানে শরিকদলকে মনোনয়ন দিলেও তিনি বিএনপির কোন নেতাকে ডাকছেননা। ফলে বিএনপির কর্মীরাও তার পক্ষে কাজ না করে অলস সময় পার করছেন।

স্থানীয় ভোটাররা বলেন, বিএনপির এখানে ব্যাপক ভোট রয়েছে। শরীকদল যদি সেটা কাজে লাগাতে না পারে তাহলে কারো কিছু করার নেই। তবে জমিয়ত প্রার্থী মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেন, আমি সকলের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি। প্রতিদিনেই শত শত বিএনপির কর্মীরা আমার কাছে আসছেন। আমিও তাদের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। এমনকি তুহিন সাহেবকে একাধিকাবার ফোন করেছি। হয়তো ব্যস্ত ছিলেন তাই ফোন ধরতে পারেননি।

ইনশাআল্লাহ প্রতিক বরাদ্দের পর থেকেই দেখবেন বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে নিয়েই আমরা প্রচারনা চালাবো। তাদের অভিমান থাকতেই পারে কারন তাদের প্রার্থী তুহিন এখানে মনোনয়ন পাননি। আমি তাদের অভিমানকে শ্রদ্ধা জানাই। ইনশাআল্লাহ তারাও এখানে আমাকে বিজয় করতে কাজ করবেন। কারন এখানে আমার বিজয় মানেই বিএনপির বিজয়। আমার বিজয় মানেই তারেক রহমানের বিজয়।

এফপি/জেএস

সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝