| শিরোনাম: |

জেলার ডোমার উপজেলার মটুকপুর স্কুল এ্যান্ড কলেজ উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরির মানদন্ডের উপর ভিত্তি করে উপজেলা পর্যায়ের বাছাই কমিটি এই স্বীকৃতি প্রদান করে। মটুকপুর স্কুল এ্যান্ড কলেজ উপজেলার মটুকপুর ইউনিয়নে অবস্থিত।
পাকিস্থান আমলে ১৯৬৫ সালে এলাকাবাসীর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সুনামের সাথে পরিচালিত হয়ে আসছে। বিদ্যালয়ের অসংখ্য শিক্ষার্থী ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারসহ দেশে-বিদেশের বিভিন্ন স্থানে সম্মানজনক পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।গত বছরের এসএসসি পরীক্ষায় এই বিদ্যালয়ের ছাত্র ইমাম জুহরী শাফি উপজেলার মধ্যে প্রথমস্থান অধিকার করেন। বর্তমানে বিদ্যালয়ে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। প্রতি বছর পাবলিক পরীক্ষা গুলোতে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করে আসছে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমেও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সুনাম রয়েছে। চলতি বছর বিটিভিতে বিতর্ক প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়ে বিদ্যালয়টি ব্যাপক সুনাম অর্জন করে।
সহকারী শিক্ষক মো: আলতাফ হোসেন বলেন, সকলের প্রচেষ্টায় আজ আমরা শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছি যেটা গৌরবেরও বটে। শিক্ষক জামিনুর রহমান বলেন, প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন থেকেই ভালো ফলাফল করে আসছে। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে ১৭ টি ক্যাটাগরির মধ্যে এই বিদ্যালয়ের ৬ জন শিক্ষার্থী প্রথমস্থান ও ১১ জন শিক্ষার্থী ২য় স্থান অর্জন করে বিদ্যালয়ের সুনাম অর্জন করেন।
শিক্ষার্থী জবা বলেন, উপজেলার মধ্যে আমাদের বিদ্যালয় শ্রেষ্ঠ হওয়ায় আমরা সকলেই খুশি। বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার মান ভালো, শিক্ষকরা নিয়মিত ক্লাশ নেন। আরেক শিক্ষার্থী বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় আমরা অংশগ্রহণ করে থাকি।
সহকারী শিক্ষক রাযহানুল করিম বলেন, উপজেলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় আমরা আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। এটি শুধু কোন স্বীকৃতি নয় আমাদের আরো ভালো করার অনুপ্রেরণা। এটি আমাদের আরো দায়িত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। আমাদের আরো ভালো করার অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে এই স্বীকৃতি। বিদ্যালয়ে কোন শিক্ষার্থী স্কুলে না আসলে আমরা তাদের খোজ খবর রাখি। তাছাড়া সকল শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা নিয়মিত স্কুলে আসায় ফলাফল আরো ভালো হয়েছে। চলতি এসএসসি পরীক্ষায় বিদ্যালয় থেকে ১৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইসমত আরা গিনি বলেন, শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পাওয়া আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতা, শিক্ষকদের পরিশ্রম এবং শিক্ষার্থীদের কৃতিত্বের কারণেই আমরা এমন গৌরব অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি।
এফপি/জেএস