ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি), বরগুনা সদর উপজেলার উদ্যোগে বরগুনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে স্বেচ্ছাসেবক পুনর্মিলনী–২০২৬। শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বরগুনা সুরঞ্জনা ইকো ট্যুরিজম অ্যান্ড রিসোর্টে দিনব্যাপী এ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা টিম লিডার জাকির হোসেন মিরাজের সভাপতিত্বে এবং অ্যাডভোকেট সোহেল হাফিজ ও আয়লা-পাতাকাটা ইউনিয়ন টিম লিডার প্রিন্সিপাল বসির উদ্দিনের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিপিপির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মোঃ সাইদুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক পরিচালক (অপারেশন) মোঃ নূরুল ইসলাম খান অসি, খুলনার সিপিপির উপপরিচালক আলমগীর হোসেন, কক্সবাজার সিপিপির উপ পরিচালক মোঃ হাফিজ আহমেদ, বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোঃ নজরুল ইসলাম মোল্লা সহ সিপিপির বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা, সাবেক ও বর্তমান টিম লিডারবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বরগুনা সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা থেকে প্রায় এক হাজার স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করেন। সকাল থেকে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে মধ্যাহ্নভোজ শেষে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী আয়োজনের শেষ পর্বে অবসরপ্রাপ্ত সেচ্ছাসেবক ও কৃতী স্বেচ্ছাসেবকদের মাঝে ক্রেস্ট ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ উপকূলীয় অঞ্চলে সিপিপির স্বেচ্ছাসেবকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের জানমাল রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁদের নিরলস পরিশ্রম ও ত্যাগের মাধ্যমেই দুর্যোগকালে ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব হয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিপিপির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মোঃ সাইদুর রহমান বলেন, স্বেচ্ছাসেবকরাই সিপিপির মূল শক্তি। তাদের ঐক্য, প্রশিক্ষণ ও মানবিক মানসিকতার কারণেই উপকূলের মানুষের পাশে দ্রুত দাঁড়ানো সম্ভব হয়। ভবিষ্যতেও সিপিপিকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে স্বেচ্ছাসেবকদের দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা ও স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকা অপরিসীম। এ ধরনের পুনর্মিলনী কর্মসূচি স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও উৎসাহ বাড়াতে সহায়ক হবে।
এফপি/অ