মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলায় পুলিশ দিয়ে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়ার পর পরিকল্পিতভাবে এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় ভুক্তভোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পুলিশ ডেকে ঘর থেকে বের করে। পরে সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলার নয়না এলাকায় মারধরের ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তির নাম সুলতান আহমেদ।
ভুক্তভোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, টঙ্গীবাড়ি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওসমান, সুলতান আহমেদকে বাড়ি থেকে ডেকে বাইরে আনেন। কিছুক্ষণ পর পুলিশ সদস্যটি সেখান থেকে চলে গেলে চানমিয়া, লালমিয়া, ফারুক বেপারী, ফারুক মৃধা, মনির কোতোয়াল, দোলন মৃধা ও হাফেজ শেখসহ প্রায় ১৫/২০ জন ব্যক্তি অতর্কিতভাবে সুলতানের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়।
পরিবারের সদস্যরা বাধা দিতে গেলে তাঁদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত সুলতান আহমেদকে উদ্ধার করে টঙ্গীবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁকে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানান, তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়েছে এবং তিনি পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
হাসপাতালের শয্যায় থাকা সুলতান আহমেদ বলেন, “পুলিশ আমাকে ঘর থেকে ডেকে বের করে। কিছুক্ষণ পর একদল লোক এসে মারধর শুরু করে। আমি গুরুতর আহত হয়েছি। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।”
সুলতানের স্ত্রী তাহমিনা বেগম বলেন, “পুলিশ ডেকে নেওয়ার পরই আমার স্বামীকে মারধর করা হয়। আমরা সেখানে গেলে আমাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। আমরা সুষ্ঠু বিচার চাই।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত চানমিয়া বলেন, আমি তাকে মারিনি। ওই এলাকার ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির লোকজন মারছে।
এ বিষয়ে টঙ্গীবাড়ি থানার এসআই মো. ওসমান বলেন, ওসি স্যারের নির্দেশে দুই ভায়ের ঝগড়ার বিষয় আমি গিয়েছিলাম ওই খানে। আর আমি মার খাওয়াবো কেন? আমি চলে আসার পর শুনেছি তারেক জিয়াকে নিয়ে খারাপ বক্তব্য দেওয়ায় এলাকাবাসী তাকে মারছে।
এফপি/জেএস