টানা বর্ষণের প্রভাবে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার বাজারগুলোতে কাঁচা মরিচ ও বিভিন্ন ধরনের সবজির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কৃষিপ্রধান এ অঞ্চলে সাধারণত স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সবজির সরবরাহ বেশি থাকায় তুলনামূলক কম দামে কেনাকাটার সুযোগ থাকে। তবে টানা বৃষ্টি, ক্ষেত থেকে সবজি উত্তোলনে বিঘ্ন এবং বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় বর্তমানে দাম বেড়েছে। এতে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজারের ব্যয় বেড়ে গেছে।
শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ৯টায় নবাবগঞ্জ সুপার মার্কেট এবং বিকেল ৫টায় রামপুর বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশি পেঁয়াজ ৬০ টাকা, মিশ্রিত পেঁয়াজ ৫০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, করলা ১৪০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ টাকা এবং কাকরোল ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায় এবং চাল কুমড়া ৪০ টাকায়।
কাঁচা মরিচ বিক্রেতা সাব্বির হোসেন বলেন, “বৃষ্টির কারণে বাজারে মরিচের সরবরাহ কমে গেছে। তাই দাম বেড়েছে।”
সবজি বিক্রেতা নুরে আলম সিদ্দিকী বলেন, “টানা বৃষ্টিতে কৃষকরা ঠিকমতো ক্ষেত থেকে সবজি তুলতে পারছেন না। ফলে বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম কিছুটা বেড়েছে।”
ভ্যানচালক আবদুল মান্নান বলেন, “মরিচের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। অল্প পরিমাণ মরিচ কিনতেও এখন অনেক বেশি টাকা খরচ হচ্ছে।”
বাজারে সবজি কিনতে আসা বেসরকারি একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মরত এক শিক্ষকের স্ত্রী নাজমা রহমান বলেন, “নবাবগঞ্জ কৃষিপ্রধান এলাকা হওয়ায় সবজির দাম সাধারণত কম থাকে। কিন্তু বর্ষার কারণে এখন অনেক সবজির দাম বেড়েছে, যা সংসারের বাজেটে চাপ সৃষ্টি করছে।”
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, আবহাওয়া স্বাভাবিক হয়ে কৃষিপণ্যের সরবরাহ বাড়লে কাঁচা মরিচ ও সবজির দাম আবারও সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে।
এফপি/র