Dhaka, Friday | 24 July 2026
         
English Edition
   
Epaper | Friday | 24 July 2026 | English
শিরোনাম:

গোয়ালন্দে বাঁশের সাঁকো ভেঙে দুর্ভোগে হাজারো মানুষ, দ্রুত সেতু নির্মাণের দাবি

প্রকাশ: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৫ পিএম  (ভিজিটর : ১২)

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের কাউলজানি এলাকায় পদ্মা নদীর একটি ক্যানালের ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকো ভেঙে যাওয়ায় কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

সাঁকোটি না থাকায় প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমিক, নারী, শিশুসহ সাধারণ মানুষকে নদী সাঁতরে, নৌকায় অথবা ২ থেকে ৩ কিলোমিটার পথ ঘুরে চলাচল করতে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভেঙে যাওয়া পুরোনো বাঁশের সাঁকোটির কিছু অংশ এখনও পানির মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে। ফলে অনেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় কিংবা সাঁতরে নদী পারাপার করছেন।

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য নুরাল মোল্লা জানান, বাঁশের সাঁকোটি অনেক পুরোনো হয়ে গিয়েছিল। প্রায় তিন মাস আগে প্রবল ঝড়-বাতাস ও ঢেউয়ের আঘাতে সাঁকোটি ভেঙে পড়ে।

তিনি বলেন, “এরপর থেকে সাঁকোটি মেরামতের দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। আপাতত সাধারণ মানের একটি নতুন বাঁশের সাঁকো নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি। এতে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা প্রয়োজন হবে।”

স্থানীয় কৃষক মোয়াজ্জেম চৌধুরী, হাফিজুল মোল্লাসহ কয়েকজন বলেন, “সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ার পর আমরা অনেক কষ্ট করে নদী পারাপার করছি। মাঠের ওপার থেকে ফসল আনা-নেওয়ায় সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এখানে স্থায়ীভাবে একটি ছোট সেতু নির্মাণ করা হলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতো।”

খোদেজা আক্তার, রওশনারা আক্তারসহ কয়েকজন নারী বলেন, “আমরা এই সাঁকো দিয়ে ওপারের উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়মিত যাতায়াত করতাম। আমাদের সন্তানরাও এই পথ দিয়ে স্কুলে যায়। কিন্তু সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় এখন অনেক কষ্ট হচ্ছে। ঘুরে চলাচল করতে গিয়ে বাড়তি সময় ও অর্থ ব্যয় হচ্ছে। আমরা এখানে দ্রুত একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।”

গৃহিণী মর্জিনা আক্তার বলেন, “আমাদের চাষের জমি নদীর ওপারে। তাই বারবার ওপারে যেতে হয়। কিন্তু সব সময় নৌকা পাওয়া যায় না। অন্যের নৌকা চাইলেও সব সময় পাওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে সাঁতরে নদী পার হতে হয়। এতে আমাদের অনেক কষ্ট হয় এবং জীবনের ঝুঁকিও থাকে। তাই এখানে দ্রুত একটি সেতু বা নিরাপদ সাঁকো নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।”

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) ফয়সাল জাহাঙ্গীর স্বপ্নীল বলেন, “শুষ্ক মৌসুম এলে সেখানে একটি সেতু নির্মাণের বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে। আপাতত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে।”


এফপি/র
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝