দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, 'আমি প্রধানমন্ত্রীকে বাঁশখালীর দুরবস্থার কথা তুলে ধরব এবং বেশি বেশি সহায়তা পাঠানোর চেষ্টা করব। জরুরি ভিত্তিতে এই (খানখানাবাদ) ইউনিয়নের জন্য ১০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়ে গেলাম। এই ত্রাণের চাল বিতরণে কোনো দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতির অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।'
বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার খানখানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় তিনি আরও বলেন, 'আপনাদের পাশে সরকার আছে। আপনাদের ক্ষয়ক্ষতি সরকার পুষিয়ে দেবে। আমাদের প্রতিশ্রুতি ছিল যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল কেটে যে বিপ্লব করেছিলেন আমরা রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশের এসমস্ত খালগুলোকে পুনঃখনন করব। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে খাল ও নদী খনন করা হয়নি। আমি জলকদর খাল খনন দেখে খুশি হলাম। এই খালটি দেশের ২৫টি মডেল খালের একটি হবে বলে আমার প্রত্যাশা।'
তিনি আরও বলেন, 'প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তিনজন মন্ত্রী এই বন্যাকবলিত এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। গতকালকেও আমরা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে বৈঠক করেছি। যারা কৃষিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদেরকে কৃষিকাজের জন্য নতুন করে চারা, ধানের বীজ ও সার দেয়া হবে। যারা পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন তাদেরকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।'
এ সময় ত্রাণ বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো: জাহিদুল ইসলাম মিঞা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: কামরুজ্জামান, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন, এসিল্যান্ড ওমর সানী আকন, সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান, বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক প্রমুখ।
এফপি/র