বগুড়ার আদমদীঘিতে এবার ঈদুল আযহার কোরবানির পশুর চামড়া কিনে লোকসানের শঙ্কায় পড়েছে ক্ষুদ্র চামড়া ব্যবসায়ীরা। প্রকার ভেদে প্রতি পিস গরুর চামড়া ২৫০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে গ্রামাঞ্চলে। তবে ছাগলে চামড়া বিক্রি না হওয়ায় অনেকেই ফেলে দিয়েছেন বলে ভুক্তভোগিরা জানিয়েছেন।
আদমদীঘির মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী বেলাল হোসেন, হারুনর রশিদ জানায়, বিভিন্ন গ্রামে কোরবানির চামড়া কিনে কয়েক বছর যাবত লোকসানের কবলে রয়েছেন তারা। ট্যানারি মালিকদের সরাসরি কেনার পাশাপাশি সরকারি নির্ধারিত দামে চামড়া না কেনায় এবং চামড়া সংরক্ষণে স্থানীয় ভাবে লবন সরবরাহ না পাওয়ায় চরম ক্ষতির কবলে পড়েছেন। তারা প্রকার ভেদে গরুর চামড়া ২০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত কিনেছেন। ছাগলের চামড়া কেনা কোন আগ্রহ ছিলনা তাদের। ফলে অনেকেই ছাগলের চামড়া ফেলে দিয়েছেন। চামড়ার সিন্ডিকেট থাকায় এবারও চামড়ার ন্যায্য দাম মিলেনি। এতে চামড়া হকদার দরিদ্র মানুষরা তাদের পওনা থেকেও বঞ্চিত হলেন।
চামড়া বিক্রেতা তেঁতুলিয়া গ্রামের রেজাউল ইসলাম রেজা জানান, তার কোরবানির গরু ছিল মাঝারি আকারের গাভী গরুর চামড়া বিক্রি হয়েছে মাত্র ৩০০ টাকায়। তার গ্রামে সব্বোর্চ ৩৫০ টাকা দামে চামড়া বিক্রি হয়েছে। প্রতি বছর ঈদুল আযহার মৌসুমি ক্ষুদ্র চামড়া ব্যবসায়ীরা লাভের আশায় গ্রামে গ্রামে ঘুরে চামড়া কিনেন। কিন্ত মহাজনের কবলে পড়ে তারা লোকসানে চামড়া বিক্রি করতে বাধ্য হন বলে ক্ষুদ্র চামড়া ক্রেতারা দাবী করেন। তারা চামড়ার বাজার স্থিতি রাখতে এই জাতীয় কোরবানির চামড়ার বাজার স্থিতি রাখার দাবী জানান।
এফপি/অ