Dhaka, Tuesday | 2 June 2026
         
English Edition
   
Epaper | Tuesday | 2 June 2026 | English
তাপপ্রবাহে পুড়ছে ৪০ জেলা, বিপর্যস্ত জনজীবন
রামিসা হত্যা মামলা: আজ শুরু হচ্ছে সাক্ষ্যগ্রহণ
পদত্যাগ করলেন মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান
তিন মাস সুন্দরবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা, খোলা করমজল পর্যটনকেন্দ্র
শিরোনাম:

চাল বিতরণে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ জেলেদের

প্রকাশ: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৬:৪৩ পিএম  (ভিজিটর : ৪২)

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার জলাবাড়ী ইউনিয়নে জেলেদের জন্য সরকারি বরাদ্দের চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে জনপ্রতি ১০০ টাকা করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, ইউনিয়নের ৩৩৫ জন জেলের কাছ থেকে মোট ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, গোডাউন থেকে চাল আনা, পরিবহন ও শ্রমিক খরচের কথা বলে জেলেদের কাছ থেকে এই টাকা তোলা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, জেলেদের সভাপতি মো. আলম মিয়া এই টাকা সংগ্রহ করেছেন।

জলাবাড়ী ইউনিয়নের জেলে সোহাগ খান অভিযোগ করে বলেন, “চাল পাওয়ার কথা বলে আমাদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১০০ টাকা করে নেয়া হয়েছে। সেদিন আমার কাজ থাকায় ছেলেকে দিয়ে চাল আনতে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু আমি নিজে না যাওয়ায় আমাকে চাল দেয়া হয়নি, অথচ টাকা নেয়া হয়েছে।”

আরেক জেলে মো. রিয়াজ হোসেন বলেন, “গোডাউন থেকে ইউনিয়ন পরিষদে চাল আনতে পরিবহন ভাড়া ও শ্রমিক খরচ লাগে। এছাড়া যারা কষ্ট করে বসে চাল বিতরণ করেন, তাদের খাবারের খরচও থাকে। এজন্য জেলেদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১০০ টাকা করে নেয়া হয়েছে।”

এ বিষয়ে জেলেদের সভাপতি মো. আলম মিয়া বলেন, “গোডাউন থেকে পরিষদে চাল আনা পর্যন্ত কিছু খরচ রয়েছে। পাশাপাশি কিছু আনুষঙ্গিক ব্যয়ও আছে, যার সব হিসাব দেয়া সম্ভব নয়। এজন্য জেলে প্রতি ১০০ টাকা করে তুলে পরিষদের সচিবকে দেয়ার জন্য আমাদের সম্পাদক তোফাজ্জেলের কাছে দিয়েছি।”

তবে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. দিদারুল ইসলাম টাকা নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, “আজ ৩৩৫ জন জেলেকে জনপ্রতি ৪০ কেজি করে চাল দেয়া হচ্ছে। আমার জানা মতে, গোডাউন থেকে এখানে চাল আনতে টনপ্রতি প্রায় ৪০০ টাকা খরচ হয়। তবে আমি কারও কাছ থেকে কোনো টাকা নেইনি।”

চাল বিতরণের দায়িত্বে থাকা ট্যাগ অফিসার বিশ্বজিৎ বলেন, “জেলে প্রতি ১০০ টাকা নেয়া হয়েছে বলে শুনেছি। সাধারণত অনেক ইউনিয়নেই চাল আনতে জেলেদের পক্ষ থেকে কিছু টাকা তোলা হয়। এখানে ৩৩৫ জন জেলেকে ৪০ কেজি করে চাল দেয়া হচ্ছে। তবে এই টাকার একটি অংশ খরচ হয়েছে। সামনে আবার চাল দেয়া হলে নতুন করে টাকা নেয়া হবে না।”

এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত দত্ত বলেন, “সরকারি চাল বিতরণে কোনো ধরনের টাকা নেয়ার বিধান নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

 এফপি/জেএস
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝