Dhaka, Friday | 3 April 2026
         
English Edition
   
Epaper | Friday | 3 April 2026 | English
জাতিসংঘে বলপূর্বক হরমুজ প্রণালী খোলার প্রস্তাবে ভেটো দিলো রাশিয়া-চীন-ফ্রান্স
১৯ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৪ শিশুর মৃত্যু
হামের প্রকোপ বাড়ায় স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টে রিট
বজ্রপাতের মতো হঠাৎ এসেছে হাম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
শিরোনাম:

জীবননগরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ৫

প্রকাশ: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ৫:১৬ পিএম  (ভিজিটর : ২৯)

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ ইউনিয়নে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই দলের ৫ জন আহত হয়েছে। 

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) মো. আনোয়ারুল কবীর ও জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান সেখের নেতৃত্বে থানা-পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জীবননগর উপজেলার সুটিয়া গ্রামের জামায়াত সমর্থক কেরামত আলীর ছেলে সোহাগের সঙ্গে হাসাদাহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জসিম উদ্দীনের ছেলে মেহেদীর পূর্ব থেকে দ্বন্দ্ব চলছিল। বিষয়টি মীমাংসার জন্য রাতে হাসাদাহ বাজারে দুই পক্ষের বসার কথা ছিল। তবে সন্ধ্যার দিকে এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ উঠেছে, এর একপর্যায়ে জামায়াত নেতা ঈসরাইলের নেতৃত্বে মেহেদীর বাড়িতে হামলা চালানো হয়। এসময় মেহেদীর মুখে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কোপ মারা হয়।

পরে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা ধাওয়া দিলে জামায়াতের কয়েকজন আহত হন।

জামায়াতের আহতদের মধ্যে রয়েছেন সুটিয়া গ্রামের মৃত ওহাবের ছেলে হাফিজুর রহমান (৪৫), মফিজুর রহমান (৪০), একই গ্রামের মৃত গোপাল মণ্ডলের ছেলে খায়রুল ইসলাম (৫০) ও হাপু। তাদের মধ্যে মফিজুর রহমান ও হাপুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোরে পাঠানো হয়েছে।

আহত মেহেদী বলেন, আমি বাজার করতে গিয়েছিলাম। এসময় আমার আব্বা ফোন করে বলেন, জামায়াতের লোকজন বাড়িতে আক্রমণ করেছে। এসে দেখি আমার আব্বাকে মারধর করা হচ্ছে।  এসময় ইসরাইল নেতৃত্বে সোহাগ এসে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে আমার মুখে কোপ মেরেছে। আমাদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।

তার বাবা জসিম উদ্দীন বলেন, আমি মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে ঘরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিলাম। তখন ইসরাইল হুজুর বেশ কয়েকজনকে নিয়ে ‘নারায়ে তাকবির’ স্লোগান দিয়ে হামলা শুরু করে। আমি বলেছিলাম আগে কথা শোনো। কিন্তু তারা কিছু না শুনেই আমাকে মারধর করে। পরে সুটিয়ার এক ছেলে ও সোহাগ মারধর করে। এরপর আমার ছেলে এলে তাকেও মারধর করা হয়। তাদের হাতে রাম দা, হক স্টিক ও চাইনিজ কুড়াল ছিল।

এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মঈন উদ্দীন ময়ের বলেন, নির্বাচনের পর থেকে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর একের পর এক হামলা করছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

অন্যদিকে হাসাদাহ ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আখতারুজ্জামান বলেন, হামলায় আহত জামায়াতের তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সম্ভবত তাদের ঢাকায় নেওয়া হবে। দলীয় সিদ্ধান্তের পর মামলা করা হবে।

এ বিষয়ে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান সেখ বলেন, হাসাদাহে জামায়াত ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিবেশ শান্ত রয়েছে।

এফপি/জেএস
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝