দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ৯ম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে জয়পুরহাটে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসন চত্বরে ‘জেলা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
বিক্ষোভ মিছিলটি জেলা প্রশাসন চত্বর প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম।
সমাবেশে বক্তারা জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরে বলেন, আজ আমরা শখ করে রাস্তায় দাঁড়াইনি, অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে নামতে বাধ্য হয়েছি। ২০১৫ সালে যখন অষ্টম পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়েছিল, তখনকার চাল ও তেলের দামের সঙ্গে বর্তমান ২০২৬ সালের বাজারদরের কোনো মিল নেই। গত কয়েক বছরে জীবনযাত্রার ব্যয় কয়েক গুণ বেড়েছে। বাজারের এই ভয়াবহ আগুনের কাছে আমাদের বর্তমান বেতন কাঠামো আজ অসহায় হয়ে পড়েছে।
বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বার্ষিক ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট দিয়ে এই মুদ্রাস্ফীতি মোকাবিলা করা অসম্ভব। তাই অবিলম্বে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন জরুরি।
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা জজ কোর্টের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের কৃষ্ণ কুমার সরকার প্রমুখ।
সমাবেশ থেকে ঘোষণা করা হয়, দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ২ ও ৩ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টায় জয়পুরহাট জেলার সব সরকারি কর্মচারী পুনরায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কর্মসূচি পালন করবেন।
এফপি/জেএস