আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের দিনে সংঘটিত যে কোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে দায়ী করা হবে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।
সম্প্রতি ভারতের নয়াদিল্লিতে একটি অনুষ্ঠানে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত ও পলাতক শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্যের ঘটনায় গভীর বিস্ময় ও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সরকার।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৩ জানুয়ারি নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে বাংলাদেশ সরকারের পতনের আহ্বান জানান। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি তার দলীয় অনুসারী ও সাধারণ জনগণকে নির্বাচন ভন্ডুল করতে এবং সহিংস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ানোর উসকানি দিয়েছেন। এ ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার ও দেশের সাধারণ জনগণ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
সরকারের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের এই বেপরোয়া উসকানি প্রমাণ করে কেন অন্তর্বর্তী সরকার দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের দিন সংঘটিত যে কোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য সরকার আওয়ামী লীগকে দায়ী করবে এবং তাদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকার মনে করে, নয়াদিল্লিতে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেওয়া আন্তঃরাষ্ট্র সম্পর্কের প্রচলিত নীতিমালা, সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের পরিপন্থি।
বিবৃতিতে বলা হয়, এটি বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি একটি স্পষ্ট অবমাননা এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের জন্য একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত।
এফপি/এমআই