বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কখনো জাতি কিংবা ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজনের রাজনীতি করেনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ (চকরিয়া–পেকুয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাট এলাকায় খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—ধর্ম ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু আমাদের পরিচয় একটাই, আমরা সবাই বাংলাদেশি। রাষ্ট্রে সবার অধিকার সমান এবং সকল ধর্মের মানুষের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, “বিএনপি কখনো জাত, পাত কিংবা ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে বিভক্ত করেনি। আমরা বিশ্বাস করি, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সবাই সমান মর্যাদা ও সুযোগ পাবে।”
অতীতের একটি প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, “১৯৯২ সালে যারা খ্রিষ্টান পল্লী ও উপাসনালয়ে হামলা চালিয়ে দেশে ধর্মীয় সহিংসতা সৃষ্টি করেছিল, তারা যদি আবার ক্ষমতায় আসে, তাহলে ভবিষ্যতে নতুন করে ধর্মীয় সহিংসতার আশঙ্কা থেকে যায়।”
শিক্ষা ও কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে। এতে দেশের প্রায় ১৮ কোটি মানুষের মধ্যে বিশেষ করে যুব সমাজ কর্মমুখী ও দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরিত হবে।”
ভাষা শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “আগামী প্রজন্মকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি অন্তত এক বা দুইটি বিদেশি ভাষা শেখার সুযোগ ও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।”
মতবিনিময় সভার শেষে তিনি আগামী ১২ তারিখ অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করার জন্য খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দসহ এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
এফপি/জেএস