দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট বাজারে গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্যের পর এবার বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডে ব্যবসার বিস্তৃতি ঘটাচ্ছেন প্রবাসী ব্যবসায়ী সাকিব উদ্দিন। দুবাই সরকার কর্তৃক গোল্ডেন ভিসা প্রাপ্ত এই উদ্যোক্তা বাংলাদেশে মূলত আবাসন খাতের আধুনিকায়ন এবং পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ করতে কাজ শুরু করেছেন।
সাকিব উদ্দিন জানান, দুবাইয়ের বাজারে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সফলতার পর তিনি এখন নিজ দেশ বাংলাদেশ এবং প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ডে সবচেয়ে আধুনিক ও বিলাসবহুল (লাক্সারি) হোটেল ও রিসোর্ট নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। ইতোমধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।
সাধারণ মানুষের জন্য বিনিয়োগের সুযোগ
এই প্রকল্পের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর মালিকানা কাঠামো। সাকিব উদ্দিনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই লাক্সারি হোটেল ও রিসোর্টগুলোর মালিকানা কেবল উচ্চবিত্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার কথা চিন্তা করে ছোট ছোট শেয়ার আকারে মালিকানা প্রদানের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। এর ফলে: মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে উচ্চবিত্ত—সব শ্রেণির মানুষই এই ব্যবসায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
বিনিয়োগকারীরা তাদের শেয়ারের বিপরীতে একটি সম্মানজনক ও স্মার্ট লভ্যাংশ বা প্রফিট অর্জন করতে পারবেন।
বর্তমানে বাংলাদেশে মানসম্মত ও লাক্সারি হোটেল-রিসোর্টের যে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে, তা পূরণে এই উদ্যোগ বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদী।
দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট খাতে পাঁচ বছরের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ দুবাই সরকার তাকে সম্মানজনক 'গোল্ডেন ভিসা' প্রদান করেছে। সেই আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সাকিব উদ্দিন এখন দক্ষিণ এশিয়ায় আবাসন ও আতিথেয়তা শিল্পে নতুন এক বিপ্লব ঘটাতে চাইছেন।
এফপি/এমআই