Dhaka, Wednesday | 15 July 2026
         
English Edition
   
Epaper | Wednesday | 15 July 2026 | English
সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত
বাংলাদেশে চলমান ভারতের উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে যা বলল নয়াদিল্লি
জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ
২০৩০ সালের মধ্যে দেড় কোটির বেশি পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড
শিরোনাম:

গোপালগঞ্জে ১৬ জুলাইকে ঘিরে বিজিবি মোতায়েন

প্রকাশ: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩৮ পিএম  (ভিজিটর : ১৬)

বিগত বছরের ১৬ জুলাইয়ের সংঘর্ষের ঘটনাকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে জেলা প্রশাসন। 

আজ বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল থেকে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

সকাল থেকে শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিজিবির সদস্যরা টহল শুরু করেছেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।এছাড়া শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও নজরদারি চালাচ্ছেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পাঁচ প্লাটুন বিজিবি, র‌্যাব-৬-এর ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্পের সদস্যরা, পুলিশ ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা জেলা, উপজেলা ও গ্রামীণ এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে টহল অব্যাহত রেখেছেন।

জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান বলেন, বিগত বছরের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়টি মাথায় রেখে জেলা জুড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। এবছর কেউ যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য আমরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। আশা করছি, কোনো ধরনের অপ্রত্যাশিত ঘটনা ছাড়াই পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গোপালগঞ্জ পৌর পার্কে পথসভা শেষে ফেরার পথে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় হামলাকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলে। এতে সভাস্থল থেকে শহরের বাজার এলাকা হয়ে পাচুড়িয়া পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী গুলি চালালে পাঁচজন নিহত হন এবং সাংবাদিক, পুলিশ সদস্যসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হন।

নিহতরা হলেন, জেলা শহরের উদয়ন রোড এলাকার সন্তোষ সাহার ছেলে দীপ্ত সাহা, থানাপাড়া এলাকার কামরুল কাজীর ছেলে রমজান কাজী, সদর উপজেলার আড়পাড়া এলাকার আজাদ তালুকদারের ছেলে ইমন তালুকদার, বেদগ্রামের রমজান মুন্সী এবং সোহেল রানা।

সংঘর্ষ চলাকালে বিক্ষুব্ধ জনতা জেলা কারাগারের প্রধান ফটকে হামলা ও ভাঙচুরের চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তা প্রতিহত করেন। অপরদিকে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আশ্রয় নেন। পরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় তাদের বাগেরহাটের প্রবেশদ্বার মোল্লারহাট সেতু পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া হয়।  

এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জেলাজুড়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেন। পরবর্তীতে ১৬ জুলাই রাত ৮টা থেকে পরদিন সকাল ৬টা পর্যন্ত কারফিউও ঘোষণা করা হয়।

এফপি/ফ
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: news@thefinancialpostbd.com, ad@thefinancialpostbd.com, hr@thefinancialpostbd.com
...
🔝