Dhaka, Saturday | 12 September 2026
         
English Edition
   
Epaper | Saturday | 12 September 2026 | English
শিরোনাম:

ধানের চারা তুলে ফেলার অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় দুই দিন ঘরে আটক

প্রকাশ: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৫ পিএম  (ভিজিটর : ৫৬)

বরগুনার আমতলীতে আদালতের নির্দেশে রোপণ করা ধানের চারা রাতের আধারে তুলে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে এর প্রতিবাদ করায় জমির মালিকপক্ষকে দুই দিন ধরে ঘরে আটকে রেখে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, শনিবার সকালে এর প্রতিবাদ করলে আলতাফ আকন, সেলিম আকন ও তাদের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের বাড়ি থেকে বের হতে বাধা দেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। 

এ অবস্থায় রবিবার রাতে তাঁর ভাই ছালাম মুসুল্লী কৌশলে বাড়ি থেকে বের হয়ে আমতলী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট জমির রোপণ করা ধানের চারা তুলে মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়েছে।

ভুক্তভোগী বৃদ্ধ অহেদ মুসুল্লীর দাবি, গুলিশাখালী ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ঘোষিত ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আলতাফ আকন, সেলিম আকন ও তাদের সহযোগীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। তবে অভিযুক্ত আলতাফ আকন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

জানা গেছে, আমতলী উপজেলার পশ্চিম কলাগাছিয়া গ্রামের অহেদ মুসুল্লী ও তাঁর চার ভাই পৈতৃক সূত্রে ৪.১৫ শতাংশ জমির মালিক। তাদের দাবি, তারা দীর্ঘদিন ধরে জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। ২০২১ সালে আলতাফ আকন, সেলিম আকন, খবির আকন ও দেলোয়ার আকন জোরপূর্বক জমিটি দখল করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 পরে এ ঘটনায় অহেদ মুসুল্লী বরগুনা জজ আদালতে মামলা করেন। মামলায় তাঁর পক্ষে রায় হলেও আদালতের আদেশ কার্যকর হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।

অহেদ মুসুল্লীর ভাষ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার বরগুনা জজ আদালত জমিতে চাষাবাদের নির্দেশ দেন। এরপর শুক্রবার তিনি জমিতে ধানের চারা রোপণ করেন। কিন্তু ওই রাতেই অভিযুক্তরা চারা তুলে ফেলেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন জানান, প্রায় পাঁচ বছর ধরে জমিটি নিয়ে বিরোধ চলছে। আদালতের নির্দেশে শুক্রবার জমিতে ধানের চারা রোপণ করা হলেও রাতের আঁধারে তা তুলে ফেলা হয়েছে।

তবে অভিযুক্ত আলতাফ আকন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "ওই জমি আমাদের। আমরা আমাদের জমিতেই চাষাবাদ করেছি। আদালতের আদেশের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এফপি/সা
    
সর্বশেষ সংবাদ  
সর্বাধিক পঠিত  
YOU MAY ALSO LIKE  
Editor & Publisher: S. M. Mesbah Uddin
Editorial, News and Commercial Offices: Akram Tower, 15/5, Bijoynagar (9th Floor), Ramna, Dhaka-1000
Call: 01713-180024, 01675-383357 & 01840-000044
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected]
...
🔝