বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে নিহত তিন বাংলাদেশির পরিবারের সদস্যদের মাঝে আর্থিক সহায়তা ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সহায়তা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাধবী মার্মা নিহত প্রত্যেক পরিবারের হাতে নগদ ১৫ হাজার টাকা এবং ৩০ কেজি করে চাল তুলে দেন।
এ সময় তিনি বলেন, ঘুমধুম সীমান্তে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোকাহত। নিহতদের পরিবার যে অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে, তা কোনো সহায়তা দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়। তারপরও মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রয়োজনীয় সহযোগিতায় আমরা সচেষ্ট থাকব।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস বলেন, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আরও সহায়তার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবু তালেব বলেন, সরকার সবসময় দুর্গত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে রয়েছে। নিহত পরিবারগুলোর কষ্ট লাঘবে প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চুসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, গত ২৪ মে দুপুরে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত এলাকার একটি বাগানে কাজ করার সময় স্থলমাইন বিস্ফোরণে তিন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ আর্থিক সহায়তা ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এফপি/এমআই