কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার হারবাংয়ে বি.এস (মরহুম আলহাজ্ব বদিউল আলম ও আলহাজ্ব শাহানারা বেগম) ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৪র্থ হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সাফল্যের সাথে সম্পন্ন হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অত্র অঞ্চলের বিশিষ্ট শিক্ষক ও শিক্ষানুরাগী মাস্টার জিয়াউদ্দিন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষক আলহাজ্ব সাইফুল আলম।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাওলানা বেলাল উদ্দিন। আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাওলানা গিয়াসউদ্দিন এবং সদস্য সচিব হিসেবে ছিলেন মাওলানা শেখ আহমেদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক আ. ন. ম. সানাউল্লাহ এবং হারবাং বার্মিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মাকসুদুর রহমান।
এতে বক্তব্য রাখেন হারবাংয়ের বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ—শফিউল আজম, রাসেদ আলী আসাদ, মারুফ আলী, মাজেদ আলী, সাইদুজ্জামান, আবদুল্লাহ আল নোমান ও খোরশেদ আলম। অনুষ্ঠানে চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসা ও হাফেজখানার শিক্ষার্থীবৃন্দ, স্থানীয় এলাকাবাসী এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে কুরআনের হাফেজদের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, একজন হাফেজ কেবল একটি পরিবার নয়, বরং পুরো সমাজের জন্য গর্ব ও সম্মানের বিষয়। তারা উল্লেখ করেন, পবিত্র কুরআনের শিক্ষা ব্যক্তি ও সমাজকে নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মানবিকতার পথে পরিচালিত করে।
বক্তারা আরও বলেন, এই আয়োজনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক আলহাজ্ব সাইফুল আলমের অক্লান্ত পরিশ্রম, আন্তরিকতা ও দীনপ্রেমের ফলেই এ ধরনের ব্যতিক্রমধর্মী ও ফলপ্রসূ অনুষ্ঠান সম্ভব হয়েছে।
তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের কুরআনভিত্তিক আয়োজন সমাজে ইসলামের গুরুত্ব আরও সুদৃঢ় করবে এবং বিশেষ করে যুব সমাজকে নৈতিক অবক্ষয় ও বিভিন্ন খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকতে উদ্বুদ্ধ করবে।
অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ী প্রতিযোগীদের মাঝে ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। এছাড়া অংশগ্রহণকারী সকল প্রতিযোগীর মধ্যেও সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করা হয়, যা উপস্থিত সকলের মাঝে আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি করে।
আয়োজকরা জানান, কুরআনের শিক্ষা বিস্তার এবং নতুন প্রজন্মকে হিফজে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
এফপি/জেএস