মেলার প্রবেশ মুখে বিশাল গেট। মূল ফটক থেকে মঞ্চ পুরোটা পথ জুড়ে লাল গালিচায় মোড়ানো। মেলা প্রাঙ্গণের চারিপাশ হরেক রকমের স্টল এবং বিভিন্ন খেলার রাইড দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে চারিপাশ। প্রথম দেখাতেই যে কারোর মন জয় করে নেবে সেটাই স্বাভাবিক। মাগুরা সাধারণ মানুষের মনে সাজ সাজ রব উঠেছে বাণিজ্য মেলা ঘিরে তা প্রথম দিনেই দেখা গেছে।
শহরের মূল সড়ক থেকে মেলার মাঠ প্রাঙ্গণ যেতে প্রায় ৪০০ মিটার রাস্তা জুড়ে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন লাইটিং। দেখেই বোঝা যাচ্ছে যেন মাগুরাবাসীর সামনে এক আনন্দ মহারণ অপেক্ষা করছে! প্রথম দিনের বিকালেই মেলার প্রাঙ্গণে সাধারন দর্শনার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতন। পানির ফোয়ারা ঘিরে মানুষের ছবি তোলার হিড়িকই বলে এই গরম উপেক্ষা করে সাধারণ মানুষের মেলা ঘিরে আগ্রহের বার্তা। এছাড়া প্রতিদিন সন্ধ্যার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান তো রয়েছেই।
বিকেল পাঁচটায় বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করেন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকেন মাগুরা ১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মানোয়ার হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক আলী আহমেদ, জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন, মাগুরা চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আক্তার হোসেন, চেম্বার এন্ড কমার্স এর পরিচালক খান আমিনুর রহমান পিকুল, চেম্বার এন্ড কমার্স এর পরিচালক সোহেল রেজাসহ ২১ জন পরিচালক বৃন্দ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি সহ-সভাপতি ফরিদ হাসান খান।
চেম্বারের পরিচালক সোহেল রেজা, ফিনান্সিয়াল পোস্ট কে জানান, মাসব্যাপী এই মেলায় মোট ৭০ টি স্টল বসেছে। দীর্ঘদিন পর মাগুরায় বাণিজ্য মেলা হচ্ছে যেটি মাগুরার মানুষের বিভিন্ন রকম শিল্প ও বাণিজ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চিত্ত বিনোদনের চাহিদা পূরণের সক্ষম হবে বলে মনে করি। এছাড়াও বাচ্চাদের বিনোদনের জন্য প্রায় ২০ রকমের রাইড ও খেলার ব্যবস্থা রয়েছে। তিনি মাগুরাবাসীসহ আশপাশের অন্যান্য জেলার সবাইকে মাগুরার শিল্প ও বাণিজ্য মেলা পরিদর্শন করার জন্য অনুরোধ করেন।
এফপি/জেএস