নাটোর সদর উপজেলার হয়বতপুর বাজার এলাকায় একের পর এক সড়ক দুর্ঘটনায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। একদিনের ব্যবধানে দুইটি দুর্ঘটনায় একজন নিহত ও একজন গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় এলাকাবাসী ঢাকা–রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল আনুমানিক চারটার দিকে আর এম ট্রাভেলসের একটি বাসের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন শরিফুল (৩০)। তিনি রহমত মৃধার ছেলে এবং নাটোর সদর উপজেলার ইব্রাহিমপুর এলাকার বাসিন্দা।
নিহত শরিফুলের জানাজা সম্পন্ন না হতেই আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক সাতটার দিকে হয়বতপুর বাজার এলাকায় একটি অজ্ঞাত ট্রাক শিমুল (২৫) নামে এক যুবককে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে নাটোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা সোহেল রানা রাজীব জানান, হয়বতপুর বাজার এলাকাটি অত্যন্ত জনবহুল এলাকা হওয়ায় এখানে দ্রুতগতির বাস ও ট্রাকের চলাচলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। বারবার দুর্ঘটনার প্রতিবাদে আজ সকাল সাড়ে সাতটার দিকে এলাকাবাসী ঢাকা–রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।
পরে সড়ক বিভাগ ও ঝলমলিয়া হাইওয়ে থানার কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাবাসীর সঙ্গে আলোচনা করেন এবং তাদের দাবিদাওয়া মেনে নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। এরপর সকাল নয়টার দিকে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
ঝলমলিয়া হাইওয়ে থানার ওসি মাহবুবুর রহমান জানান, গতকালের দুর্ঘটনায় জড়িত বাসটি জব্দ করা হয়েছে এবং চালক ও হেলপারকে আটকের চেষ্টা চলছে। এছাড়া স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সড়ক বিভাগ থেকে ওই এলাকায় রোড ডিভাইডার স্থাপনের কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে শুরু করা হয়েছে।
এফপি/জেএস