ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় সরকার নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রয় এবং নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রয় ও অবৈধ রিফিলিংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেল থেকে রাত অব্ধি সদর উপজেলার কয়েকটি এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রির পাইকারি স্পটে সরকার নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রয় এবং অবৈধ ও অনিরাপদভাবে এলপিজি সিলিন্ডার রিফিলিং ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের পরিচালিত এ অভিযানে সরকার নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রয়ের অপরাধে তিনটি ডিলার প্রতিষ্ঠানকে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
এছাড়াও, অনুমোদনহীন ও অবৈধ পন্থায় বিপজ্জনক ও অনিরাপদভাবে এলপিজি সিলিন্ডার রিফিলিং এবং বাজারজাত করার অপরাধে মো. তাজুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আল এমরান খান এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রবিউল হাসান ভূইয়া নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে সরকার নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রয়ের অপরাধে তিনটি ডিলার প্রতিষ্ঠানকে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অর্থ দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন সফিকুল ইসলাম, আলমগীর হোসেন এবং এ,কে এন্টারপ্রাইজের কালাম।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনটি প্রতিষ্ঠান আরো বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সিন্ডিকেট বানিয়ে উপজেলার দূর্গারামপুর ব্রীজ সংলগ্ন কার্যালয়ে উচ্চ মূল্যে পুরো উপজেলায় গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করে আসছিল।
ইউএনও মো. আল এমরান খান জানান, অনুমোদনহীন ও অবৈধ পন্থায় বিপজ্জনক ও অনিরাপদভাবে এলপিজি সিলিন্ডার রিফিলিং এবং বাজারজাত করার অপরাধে মো. তাজুল ইসলাম নামীয় এক ব্যক্তিকে ০১ (এক) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
এবিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও এসি ল্যান্ড রবিউল হাসান ভূইয়া রাতে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জানান, “বাঞ্ছারামপুরে সিলিন্ডার গ্যাস বাজারজাতে নৈরাজ্য ঠেকাতে প্রশাসন আরো কঠোর হবে। জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।”
এফপি/অ